
কুট্টিদিদি একজন সোজা-সরল-নিদাগ মানুষ। নিজের বানানো ছোট্ট জায়গায় নানা রঙের অনুভূতি নিয়ে বাঁচেন। প্রায়ই ওর কলমে নানা জানা-অজানা অনভূতি ধরা পড়ে যায়, মানুষকে সুযোগ করে দেয় ওকেই অন্য চোখে দেখার। আমি সাহিত্য ভালবাসি বললে সেটা সঠিক হবে না, আমার সাহিত্য নিয়ে লেখা-পড়া শুরু হয়েই ফস করে শেষ হয়ে যায়। তবুও কখনও কখনও কুট্টিদিদির কোনকোন লেখা পড়ে মনে হয়, “এ তো বেশ! লেখাটা যেন টুক করে পুরো মনটা দখল করে দুম করে রাজত্ব শুরু করে দিল।“
বুঝেই উঠতে পারছিলাম না আমার পেটটা ক্রমাগত এত বড় হয়ে যাচ্ছে কেন। একবার ভাবলাম বাচ্চা হবে, পরে ভাবলাম, না না, ওসব পুরুষ-মানুষের পেটের ভাগ্যে নেই। দু-একজন বলল, ওটা গেলাসে-গেলাসে মদ, বাক্স-বাক্স গঙ্গুরামের কাঁচা-গোল্লা, আর আরসালানের এগ-রোল মিশে কেমিক্যাল রিয়াকশনে হচ্ছে। মদ ছেড়ে দিলাম, খাওয়াও প্রায় ছেড়ে দেখলাম, হাঁটা-হাঁটি শুরু করলাম; কিসুতেই কিস্সু না, পেটের নো নড়ন চড়ন, যেমন-তেমনই ঠ্যাটার মতো দাঁড়িয়ে আছে।
যাক, এতদিন পর কারণটার নাগাল পেয়ে খপ করে ধরে ফেলেছি। এখন আমি পাক্কা জানি ওটা তোর দেওয়া গ্যাসের ফল। এটা কিন্তু এক্কেবারে সন্দেহাতীত – কল্পনাতীত। ঠিক ধরেছি না? তুইই বল।
ওপরের লেখটা কুট্টিদিদির পাঠান প্রশংসার উত্তর। ওর লেখা পড়ে মনে হচ্ছিল ও শুধু প্রশংসায় পঞ্চমুখই নয় যেন দশানন হয়ে যাবার দিকে পা বাড়াচ্ছে। ওই প্রশংসাটা আর এখানে দিলাম না।